কাবিন ব্যবসায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

কাবিন ব্যবসায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন।আজ ০২ জানুয়ারী ২০২১ইং রোজ শনিবার সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মেন’স রাইটস ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে কাবিন ব্যবসায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে।

উক্ত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মাহবুবুর রহমান জয় চৌধুরী, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জনদল (বি.জে.ডি)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ সোবাহান ব্যাপারী, চেয়ারম্যান সাকসেস হিউম্যান রাইটস সোসাইটি, মোঃ রাশেদুজ্জামান, মহাসচিব বাংলাদেশ তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন। আরও উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানার আহ্বায়ক, সামিউল কুদ্দুস শেখ, নারায়ণগঞ্জ থানার হাজী নাজমুল হাসান বারেক, ফতুল্লা থানার ওবায়দুর রহমান, মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন সহ সংগঠনের সদস্যরা। আরও উপস্থিত ছিলেন এ,এইচ, চুন্নু সিকদার, সভাপতি- আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা। উক্ত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন অত্র সংগঠনের চেয়ারম্যান শেখ খায়রুল আলম।

সবশেষে চেয়ারম্যান সাহেব তার বক্তব্যে বলেন, দুষ্ট নারীরা বিয়ের নামে কাবিনের ব্যবসা করে নিরীহ পুরুষদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, অথচ এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ব্যবসায় পুঁজি লাগে এবং লাভ লোকসানের ঝুঁকি থাকে কিন্তু অনেক দুষ্ট নারীরা বিনা পুঁজিতে কাবিনের ব্যবসা করে পাঁচ বছরে কোটিপতি হয়েছে। পবিত্র কোরআনের সূরা বাকারার আয়াত নং-২২৯ অনুসারে যদি কোন স্ত্রী তার স্বামীর কাছ থেকে মুক্ত হতে চান তবে তাকে কোন কিছুর বিনিময়ে হতে হবে, যা তার মোহরানা অতিরিক্ত হবে না। তাই ইসলাম অনুসারে দেখা যায় স্ত্রী কর্তৃক স্বামী ক্ষতিগ্রস্থ হলে স্ত্রী স্বামীকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য। কিন্তু আমাদের দেশীয় আইন অনুসারে স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক প্রদান করা হলেও স্বামীকে দেনমোহর প্রদান করতে হয়, যা ইসলামের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই আজ এই মানববন্ধন থেকে দাবী যানাচ্ছি স্ত্রী ডিভোর্স দিলে দেন মোহরের সমপরিমাণ টাকা ক্ষতি পূরণ দিবে।

এই আইন কার্যকর করা হলে দুষ্ট নারীদের দেন মোহর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, এক শ্রেণির ভয়ঙ্কর প্রকৃতির নারী বিভিন্ন ছলে বলে কৌশলে পুরুষদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে মামলা মোকদ্দমা দিচ্ছে, ধন-সম্পদ ও জমি জমা হাতিয়ে নিচ্ছে। আবার একটি চক্র বিদেশে প্রতিষ্ঠিত করার কথা বলে সহজ সরল বেকার পুরুষ যুবকদের বিদেশে নিয়ে দাসের মতো শারীরিক ও মানসিক, দৈহিক ও হয়রানী করে বেড়াচ্ছে। কিন্তু নারী সন্ত্রাসী দিয়ে শান্তি প্রিয় পুরুষ ঘর-বাড়ি তথা এলাকা ছাড়া করছে। আত্মমর্যাদা ও সামাজিক এবং লোক লজ্জার কারণে অনেক সম্মানিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রকাশ্যে মুখও খুলছে না।

আরেক প্রকৃতির নারী বিয়ের তথ্য গোপন করেন কুমারী সেজে পুরুষদের সাথে প্রতারণা করছে। তাই বহু বিবাহ প্রতারণা রোধে বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন পদ্ধতি ডিজিটাল চাই।