ফতুল্লা থানা বিএনপিতে নতুন নেতৃত্বে সাধারন সম্পাদক পদে শহিদুল্লাহ্ কে চায় তৃণমূল

ফতুল্লা থানা বিএনপিতে নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় রয়েছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম, রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী এবং হাজী শহীদ উল্লাহ। এরা তিনজনেই বিএনপির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম দলের সভাপতি ছিলেন এবং পরে শাহআলম সভাপতি হলে তিনি ১ নম্বর সদস্য হন।

শাহআলম তাকে কৌশলে সরিয়ে দেন বলে তখন অধ্যাপক মনির অভিযোগ করেছিলেন। তখন কেবল অধ্যাপক মনিরকে নয়, সাধারন সম্পাদক মনিরুল আলম সেন্টুকেও মাইনাস করা হয়েছিলো। তাকে করা হয়েছিলো দলের সহসভাপতি। তবে এই দুইজনকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দিলেও শেষ পর্যন্ত ক্ষতি হয় বিএনপিরই। বিএনপির ঘাটি ফতুল্লায় বিএনপি আর চাঙ্গা হতে পারেনি।

কেবল তাই নয় ধীরে ধীরে সাংগঠনিকভাবে দলটি এখানে পঙ্গু হয়ে পরে।
এদিকে এই তিনজনের মাঝে রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী বরাবরই সক্রিয় একজন নেতা। থানা ছাত্রদলের সভাপতি হওয়ার মধ্য দিয়ে তার উথ্যান। এরপর তিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জেলা বিএনপির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানেও তিনি জেলা বিএনপির কমিটিতে রয়েছেন। ফতুল্লায় একমাত্র রিয়াদ চৌধুরীই দলের বিভিন্ন কর্মসূচিগুলি এখনো পালন করে চলেছেন।

তাই আগামী দিনেও ফতুল্লায় বিএনপিকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে রিয়াদ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।
অপরদিকে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ যখন জেলা যুবদলের সভাপতি ছিলেন তখন কুতুবপুরের বিএনপি নেতা হাজী শহীদ উল্লাহ জেলা যুবদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। শহীদ উল্লাহ বরাবরই বিএনপির জন্য নিবেদিতপ্রান একজন নেতা।

তিনি এবার ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক হতে চাইছেন। শহীদ উল্লাহ দৈনিক শীতলক্ষার এই প্রতিনিধিকে জানান তিনি দায়িত্ব পেলে বিএনপিকে নতুন করে দাড় করানোর চেষ্ঠা করবেন। ঝিমিয়ে পড়া বিএনপিকে সাংগঠনিক ভাবে চাঙ্গা করার চেষ্ঠা করবেন তিনি। তবে রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী আরো আগে থেকেই নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তাই আগামী দিনে তিনি ফতুল্লায় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও নেতা হিসাবে তিনি জেলা বিএনপিতেই থাকতে চান বলে জানা গেছে। তাই ফতুল্লার নেতাকর্মীরা মনে করেন অধ্যাপক মনিরকে সভাপতি এবং হাজী শহীদ উল্লাহকে সাধারন সম্পাদক করে কমিটি দিলে বিএনপি ফতুল্লায় ঘুরে দাড়াতে পারে।