শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিন

মহামারি করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। শিক্ষার সঙ্গে জড়িত সবকিছুতেই বিপর্যয় নেমে এসেছে। লাগাতার ১৬ মাস ধরে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। মাঝখানে কিছুদিন কওমি মাদরাসা চালু থাকলেও আবারো তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আলিয়া মাদরাসাও খোলেনি। স্কুল, কলেজ ও আলিয়া মাদরাসার সকল ধরণের পরীক্ষা বন্ধ। গত বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অটো পাস দেয়া হয়েছে। এ বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা এখনো হয়নি। পরীক্ষা হবে কি না, তাও স্পষ্ট নয়। শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিল ছেড়ে এবারও অটো পাসের অপেক্ষায়। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার জন্য অভিভাবকদের কোন চাপ নেই’ তার এ বক্তব্যে প্রমাণ করে দেশের সাধারণ মানুষের সাথে মন্ত্রীদের কোন সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করতেই সরকার সুদূরপ্রসারি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

আজ ৩ জুন ২০২১ সকাল ১১টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মুহা. নুর হোসাইনের সভাপতিত্বে সেক্রেটারি মুহা. সুলতান মাহমুদের সঞ্চালনায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন রক্ষার্থে অবিলম্বে সবধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপর্যুক্ত কথা বলেন।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, নগর সহ-সভাপতি গিয়াসুদ্দিন মুহাম্মদ খালিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক, মাও. শামসুল আলম, প্রচার সম্পাদক বিলাল খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা মুজাহিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী মুফতি মাসুম বিল্লাহ, জাতীয় ওলামা মাখায়েখ আইম্মা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মাওলানা দ্বীন ইসলাম, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মুফতি ইমদাদুল হক, ইসলামী যুব আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি ডা. মিজানুর রহমান, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মাও. আব্দুল হান্নান, ইশা ছাত্র আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ হাসান আলীসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভাপতি আরও বলেন, শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসে ভিনদেশি চক্রান্ত কাজ করছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, অভিভাবকদের কোন চাপ নেই, অভিভাবকদের চাপ তো শিক্ষকদের কাছে। আমরা শিক্ষক, অভিযোগ আমাদের কাছে।শিক্ষক ফোরাম সভাপতি মাও. আঃ হান্নান বলেন, মাদকাসক্ত হয়েছে অনেক ছাত্র-ছাত্রী। অনলাইনে পড়াশুনার অজুহাতে ছাত্র-ছাত্রীদের একটি বিপুল অংশ অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন গেমসে আসক্ত হয়ে পড়েছে। মোবাইল আসক্তি তরুণ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এসব বিপর্যয়তো শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সংক্রান্ত। এর বাইরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ফলে আর্থিক বিপর্যয়েও লাখ লাখ পরিবার পথে বসেছে।