ফতুল্লায় বেড়াতে এসে গনধর্ষন কিশোরী, থানায় মামলা – গ্রেফতার ১

বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে এসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৪ বছরের এক কিশোরী।

ঘটনাটি ঘটেছে ফতুল্লা থানার মাহমুদ পুর এলাকায়।
মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) নির্যাতিত কিশোরী বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।

জানা    যায়,

গত ১৪ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮ টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার মাহমুদপুর এলাকায় একটি চারতলা ভবনের ছাদে মেয়েটিকে  ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
 এ ঘটনার পরদিন  নির্যাতিত  কিশোরীর পরিবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশকে বিষয়টা  অবহিত করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে আল আমিন নামের একজনকে গ্রেফতার করে।

তবে, ঘটনাস্থল ফতুল্লা থানা এলাকয়া হওয়াতে গ্রেফতার হওয়া যুবককে সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ফতুল্লা  থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং এখানেই ধর্ষণ মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

নির্যাতিত  কিশোরী জানিয়েছে, ১৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় সে ফতুল্লা থানার মাহমুদপুর এলাকায় বৈশাখী মেলায় আসে। পরে মেলা থেকে সে ওই এলাকার সাদির মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া রহিমা আক্তার নামে তার এক বান্ধীর বাসায় বেড়াতে যায়, সেখান থেকে বাড়ি ফেরার সময় বান্ধবীর দেবরসহ তিনজন মিলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. আসলাম হোসেন বলেন, মাহমুদপুরের বান্ধীর বাসা থেকে রাত ৮টার দিকে কিশোরী বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হয়। এসময় বান্ধবীর দেবর শরীফ তাকে কৌশলে ৪ তলা বাড়ির ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে পালাক্রমে আল আমিন, শরীফ ও তার ভাগিনা বরকত আলী তাকে ধর্ষণ করে।

ওসি আরও জানান, ঘটনাটি ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ১৫ এপ্রিল রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অবহিত করেন। এতে রাতেই সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মীর শাহীন শাহ পারভেজের নেতৃত্বে পুলিশ মাহমুদপুর এলাকায় গিয়ে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী আল আমিনকে গ্রেফতার করে।

ধর্ষণের ঘটনাস্থল দুই থানার মাঝামাঝি হওয়ায় পরে সীমানা নির্ধারন করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ আসামীকে আমাদের ফতুল্লা মডেল থানায় হস্থান্তর করেছে। এঘটনায় মামলা হয়েছে। পলাতক আসামীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।