পাগলায় কথিত দুই সাংবাদিক সোহেল ও ফয়সাল কে গনপিটুনি দেয় ব্যবসায়ীরা

ফতৃুল্লা প্রতিনিধি ঃ

সদর উপজেলার ফতুল্লায় লগডাউনে কাপড়ের দোকান খোলা রাখায় জেলা প্রশানের ভ্রাম্যমান আদালত পাগলা বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতিকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। এসময় কথিত দুই সাংবাদিক ব্যবসায়ীদের কে অবৈধ ব্যবসায়ী বলায় ব্যবসায়ীরা এলোপাথারী মারধর করেন। মঙ্গলবার বিকেলে ফতুল্লার পাগলা বাজারে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আজিজুর রহমান ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শান্তা রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। এঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় কথিত সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে পাল্টা দুটি অভিযোগ করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাগলা বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে চলে যাওয়ার সময় কথিত সাংবাদিক সোহেল ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল “উজ্জীবিত বাংলাদেশ” এর প্রতিনিধি ফয়সাল সেখানে যায়। তখন ব্যবসায়ীদের কে অবৈধ ব্যবসায়ী বলায় কথিত দুই সাংবাদিক সোহেল ও ফয়সাল কে ব্যবসায়ীরা গনপিটুনি দেন । এঘটনায় কথিত সাংবাদিক সোহেল জানান, ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনেই পাগলা বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর,সেক্রেটারী বাচ্চু ও তাদের সহযোগী মাসুদ রানা,নজরুল ইসলাম,ইমরান,রুবেল,মনির হোসেন মিন্টুসহ অন্তত ১০জন আমাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে আমি ও ফসালের কাছ থেকে তারা ক্যামেরা,মোবাইল ও পকেট থেকে নগদ টাকা লুটে নেয়। তখন প্রানে বাচতে আমি ম্যাজিষ্ট্রেট শান্তা রহমানের গাড়িতে ও ফয়সাল ম্যাজিষ্ট্রেট আজিজুর রহমানের গাড়িতে উঠে যাই। এতে রক্ষা পেয়েছি। এবিষয়ে থানায় ৭জনের নাম উল্লেখ করে ১০জন অজ্ঞাত দেখিয়ে অভিযোগ করেছি। অপরদিকে পাগলা বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর জানান,সংগঠনের নির্দেশ অমান্য করে কয়েকটি কাপড়ের দোকান খোলা রেখে ছিলো। এজন্য ভ্রাম্যমান আদালত সংগঠনকে জরিমানা করেছে। জরিমানা শেষে ম্যাজিষ্ট্রেট চলে যাওয়ার পর দুই কথিত সাংবাদিক ব্যবসায়ীদের অবৈধ ব্যবসায়ী বলায় ব্যবসায়ীরা তাদের গনপিটুনি দেয় । তবে ওই কথিত দুই সাংবাদিকরা কয়েকদিন পরপরই বাজারে এসে ব্যবসায়ীদের কারনে অকারনে হয়রানী করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়। এবিষয়ে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। এবিষয়ে জানতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আজিজুর রহমানের মোবাইলে একাধীকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান,সাংবাদিকরা অভিযোগ করেছে ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে তাদের মারধর করে ক্যামেরা,মোবাইল ও টাকা লুটে নিয়েছে। আর ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছে টাকা না দিলেই দুই সাংবাদিক ব্যবসায়ীদের হয়রানী করেন। দুটি অভিযোগই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।