মডেলদের গ্রেফতারের মধ্যদিয়ে যেন কেঁচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসছে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সম্প্রতি চিত্রজগতের সদস্য ও মডেলদের গ্রেফতারের মধ্যদিয়ে যেন কেঁচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসছে। মডেলের অন্তরালে তাদের অনৈতিক কার্যকলাপ, মাদক ও পর্ণোগ্রাফির মত ঘৃণিত ব্যবসার খবর জনমনে ঘৃণার সৃষ্টি করেছে। গ্রেফতারকৃতদের সাথে থাকা জব্দকৃত ইয়াবা, মদ, হিরোইন, শিসা, বিকৃত যৌনাচারে ব্যবহৃতি উপাদান অভিভাবক মহলকে বিস্মিত করেছে।

তাদের অনৈতিক কার্যকলাপ, মাদক ও পর্নোগ্রাফির সাথে রাজনৈতিক দলের বিকৃত মস্তিষ্কসম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনের বিপথগামী সদস্যদের সখ্যতায় জনমনে আরও সংশয় ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।আজ ৯ আগষ্ট (সোমবার) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতির বক্তব্যে নগর সভাপতি মুহা. নূর হোসেন ও সেক্রেটারি মুহা. সুলতান মাহমুদ এক যুক্ত বিবৃতিতে উপর্যুক্ত কথা করেন।নেতৃদ্বয় আরও বলেন, একটা সময় এদেশে ‘দারুচিনি দ্বীপের নায়িকা খুঁজছি’, ‘সুন্দরী প্রতিযোগিতা’ ইত্যাদি বিভিন্ন নামে বেনামে মডেল তৈরীর হিরিক পড়েছিল।

সেসময় দেশের সচেতন ওলামায়ে কেরাম ও সচেতন ব্যাক্তিবর্গের হাজারও প্রতিবাদে রাষ্ট্রনায়করা কর্ণপাত করেননি। তার কুপ্রভাব জাতিকে আজ বহন করতে হচ্ছে। এখনও সাংস্কৃতির নামে নানান অশ্লীল কর্মকান্ড কখনো রাতের আধারে আবার কখনও ঘোষণা দিয়ে করা হচ্ছে। চরিত্র বিধ্বংসী এহেন কর্মকান্ড ঠেকাতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে এদেশের হাজার বছরের সুস্থ ধারার সামাজিক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধ্বংস হয়ে পশুর সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হবে।

যা আমাদের কারও জন্যই শুভকর নয়। কাজেই আগামী প্রজন্মকে চারিত্রিক পদস্খলন ও নৈতিক অধ:পতন থেকে বাঁচাতে মাদক ও পর্ণোগ্রাফি সহ সকল প্রকার অশ্লীল ও অনৈতিক কার্যকলাপের সাথে জড়িতদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোর আইনের আওতায় আনতে হবে।