তোফাজ্জল ,আলী হোসেন ,বিল্লাল ,ইমরান মিশরী ক্রাসফায়ারের পর বহাল তবিয়তে ল্যাংড়া মীরু

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কৃুতুবপুর ইউনিয়ের বৌউবাজার এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ল্যাংড়া মীরুর অপরাধ জগতের অজানা কাহিনী । মাদক ,সন্ত্রাসী ,চাদাঁবাজী থেকে শুরু করে বিশাল কিশোর গ্যাং বাহিনী নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এই ল্যাংড়া মীরুর, কুতুবপুরে মূল ধারার অপরাধ জগতে নেপথ্য রয়েছেন এই ল্যাংড়া মীরু ।

এক সময়ের ডাকাত দলের সরর্দার থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসে পরিনিত এই ল্যাংড়া মীরু , কুতুবপুরে বেশ কয়েকটি এলাকায় প্রায় কয়েক শত যুবকদের দিয়ে মাদক ,চাঁদাবাজী,চুরি ,ছিনতাই সহ নানা অপকর্ম করান এই ল্যাংড়া মীরু । ফতুল্লা মডেল থানা সহ আশপাশের বেশ কয়েকটি থানায় হত্যা ,অস্ত্র,মাদক ,চাদাঁবাজী সহ রয়েছে প্রায় ২০টিও বেশি মামলা ,তাছাড়া শতাধিক এর চেয়েও বেশি অভিযোগ রয়েছে এই ল্যাংড়া মীরুর বিরুদ্ধে ।

আলোচিত হত্যা মামলা গুলো নুরূল হক হত্যা মামলা, স্বাধীন মনির হত্যা মামলা , সিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলা সহ রয়েছেন আরো একাধিক হত্যা মামলা , চাদাঁবাজীতে অতিষ্ঠ পুরো বৌউবাজার সহ আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকা,রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায়ও ,সব মিলিয়ে মীরু এখন বহাল তবিয়াতে রয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবেক পুলিশ সুপার হারুনুর রশীদ থাকা অবস্থায় এই শীর্ষ সন্ত্রাসী ল্যাংড়া মীরু রয়েছিলো গাঁ ডাকা দিয়ে ,তবে বতমার্ন পুলিশ সুপার আশার পর তেমন কোন ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন ল্যাংড়া মীরুর বিরুদ্ধে ।

তবে বেশ কয়েক মাসে আলোচিত অনেক ঘটনাই ঘটিয়েছে এই ল্যাংড়া মীরু পাগলা এলাকায় মীরুর অন্যতম সহযোগি ভিপি রাজিব হত্যা মামলার সাথেও রয়েছে মীরুর নানা মূখি ষড়যন্ত ,রাজিব হত্যার পর শীর্ষ সন্ত্রাসী ল্যাংড়া মীরুর অন্যতম সহযোগি চাঁদ সিকদার সেলিম কে শ্রমিক নেতা কাওছার আহম্মেদ পলাশের লোক বানিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দেন এই ল্যাংড়া মীরু ,তার কয়েক মাস পরে সেই ভিপি রাজিব হত্যা মামলার আসামী চাঁদ সিকদার সেলিম এখন ল্যাংড়া মীরু সাথে বহাল তবিয়েতে ঘুরছেন ,এনিয়ে সাধারন মানুষের মনে রয়েছে নানা প্রশ্ন তাহলে নিজের রাজনিতি কেরিয়ার গড়তে ভিপি রাজিব কে হত্যা করিয়ে ফায়দা লুটতে চেয়ে ছিলো মীরু ,তবে এটা এখন পানির মতন পরিষ্কার সাধারন মানুষে কাছে ।

বেশ কয়েকদিন আগে পাগলা নয়ামাটি জুস কারখানার সামনে শীর্ষ সন্ত্রাসী মীরু দুইগুরুবে মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে কিশোর গ্যাং বাহিনীর হাতে মাসুদ নামের এক যুবক খুন হয় সেই মামলায় টাকা বিনিময় আক্তার ও রাজু নামের দুই যুবক কে মিথ্যা মামলায় ফাসিয়ে দেন এই ল্যাংড়া মীরু ।

নাম না বলতে ইচ্ছুক এক জন সাধারন মানুষ জানান ডাকাতির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মীরুকে গুলি করেন তার সহযোগিরা ,আর এই ঘটনাকে রাজনৈতি দিকে নিয়ে ল্যাংড়া মীরু হয়ে যায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ,নিজের গায়ে আওয়ামীলীগের সাইনবোর্ড লাগিয়ে হয়ে যায় সেচ্ছাসেবকলীগের নেতা ,আর এই পদ ব্যবহার করে কুতুবপুরে মাদক,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজী থেকে শুরু করে করেছে অনেক মানুষের জমি দখল ।

আর এতে করে রাতারাতি লেবার সরদারের ছেলে মীরু হয়ে উঠে কয়েক কোটি টাকার মালিক রয়েছে বেশ কয়েকটি আলিশান বাড়িও । তবে পঙ্গু জীবন ল্যাংড়া মীরু ভাগ্য বদলে দেই ,তা না হলে কুতুবপুরের অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে র‌্যাবের হাতে ক্রাসফায়ার হতে দেখেছেন সাধারন মানুষ, তবে ল্যাংড়া মীরু মত এত হত্যা মামলা কারো ছিলো না সেই শীর্ষ সন্ত্রাসী মীরু এখন নানা অপকর্ম করে বেরাচ্ছে ।

সাধারন মানুষ সন্ত্রাসী ল্যাংড়া মীরুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সকল মহল কে অনুরোধ জানিয়েছেন না হলে একে পর এক হত্যা কান্ড ঘটেই চলবে কুতুবপুরে এক জন শীর্ষ সন্ত্রাসীর এত টাকা মালিক হলো কি করে এটাই এখন সাধারন মানুষে প্রশ্ন ।

সম্রাট,পাপিয়া,সাইদ,পরিমনির মত অপরাধীদের বাসায় যে ভাবে অভিযান পরিচালনা করেছেন র‌্যাব ও ডিবি সেভাবে এই ভয়ংকর শীর্ষ সন্ত্রাসী ল্যাংড়া মীরুর বাসায় অভিযান পরিচালনা করা দাবি জানিয়েছেন কুতুবপুরে সাধারন মানুষ ।

শীর্ষ সন্ত্রাসী ল্যাংড়া মীরুর যত মামলা নং৭৭(৩)১২ধারাঃ৩৮৫/৩২৩/৩৮০/৩৭৯/৪২৭/৪৪৮/৫০৬,ফতুল্লা থানার মামলা নং১৭(১১)১২ধারাঃ১৮৭৮ইং সালের আমর্স এ্যাক্ট এর ১৯(এ),ফতুল্লা থানার মামলা নং১৬(১১)১২ধারাঃ১৯৯০সালের মাঃ দ্রঃ নিঃ আঃ১৯(১) এর৯(ক),ফতুল্লা থানার মামলা নং৪৬(৯)১২ধারাঃ ১৯৯০সালের মাঃ দ্রঃ নিঃ আঃ১৯(১)এর৭(ক)৫।ফতুল্লা থানার মামলা নং৭১(৬)১৩ধারাঃ১৪৭/১৪৮/৩২৩/৪২৭/৫০৬ফতুল্লা থানার মামলা নং৭২(৪)১৪ধারাঃ২৩৪/৩২৬/৩০৭/৫০৬/১১৪,ফতুল্লা থানার মামলা নং২৭(৭)১৪ধারাঃ ১৪৩/৩৪১/৩২৩/২৩৫/৩৭৯/৫০৬,ফতুল্লা থানার মামলা নং১৮(১০)১৬ধারাঃ১৪৩/৩৪১/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/১১৪,ফতুল্লা থানার মামলা নং৩৫(১০)১৫ধারা১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০২/১১৪,ফতুল্লা থানার মামলা নং৪৩(২)১৬ধারাঃ৩০২/৩৪,ফতুল্লা থানার মামলা নং৪৭(৩)১৫ধারাঃ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩০৭/৩৮০/৪২৭/৫০৬/৩৪১/১১৪,ফতুল্লা থানার মামলা নং১৯(৫)১৪ধারাঃ১৪৩/৩৪১/৩২৪/৩২৫/৩০৭/৪২৭/৫০৬/,ফতুল্লা থানার মামলা নং২৭(৭)১৪ধারাঃ ১৪৩/৩৪১/৩২৫/৩৭৯/৫০৬,ফতুল্লা থানার মামলা নং৭২(৪)১৪ধারাঃ১৪৩/৩৪১/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৫০৬/১১৪,ফতুল্লা থানার মামলা নং৬৬(১০)১৬ধারাঃ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৬/৩০২/৩৪,কোর্ট পিটিশন মামলা নং২৯৬/১২ধারাঃ৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩৭৯/৩০৭/৪২৭/৩৮৫/৫০৬,দক্ষিন কেরানী গন্জ থানার মামলা নং১৩(৭)১১ধারা৩০২/২০১/৩৪ এত গেলো মামলা মিরু অপরাধ জগতে আরো অজানা কাহিনী নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন দেখতে চোখ রাখুন আওয়ার নারায়ণগঞ্জে । আরো আসছে ।