বন্দরে শিশু ধর্ষনের ঘটনা ১ম শ্রেণীর দুই শিক্ষার্থী ধর্ষনের শিকার

বন্দরে শিশু ধর্ষনের ঘটনা আশংকা জনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২ দিনের ব্যবধানে বন্দরে চিড়াইপাড়া ল্যারি ওয়ার্ড মডেল  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণীর দুই শিক্ষার্থী ধর্ষনের শিকার হয়েছে।

এর ধারাবাহিকতায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে বন্দর উপজেলার  কামতাল নদীপাড় এলাকায় মোবাইল ফোনে ভিডিও গেইমস খেলার প্রলোভন দেখিয়ে ১ম শ্রেণীর (৬) বছরের এক ক্ষুদে ছাত্রী ধর্ষনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় কামতাল তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ গত ২০ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে সোহেল (১৬) নামে এক লম্পট কিশোর ধর্ষককে আটক করেছে। এ ব্যাপারে ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রী মা গত ২০ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে বাদী হয়ে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ২৩(৯)২০। আটককৃত লম্পট সোহেল বন্দর উপজেলার কামতালস্থ নদীরপাড় এলাকার মিজানুর মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। আটককৃত সোহেলকে ধর্ষন মামলায় ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করেছে।

মামলার বাদিনী গনমাধ্যমকে জানায়, আমার স্বামী একজন দিনমজুর এবং আমি সোনারগাঁ থানার দড়িকান্দী আইসক্রিম ফ্যাক্টরীতে কাজ করে কোন মতে সংসার চালিয়ে আসছি। আমার মেয়ে উল্লেখিত স্কুলে প্রতম শ্রেণীতে লেখাপড়া করে আসছে। এ সুবাদে একই এলাকার মিজানুর রহমান মিয়ার ছেলে সোহেল আমাদের বাড়ি পাশে রুমে বসবাস করার কারনে তার সাথে আমার অবুঝ মেয়ে সুস্পর্ক তৈরি হয়।  ওই সম্পর্ক সূত্র ধরে সোহেল প্রায় সময় আমার মেয়েকে তার মোবাইল ফোন থেকে ভিডিও গেইমস খেলতে দিত। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে মোবাইর ফোনে ভিডিও গেইমস খেলার প্রলোভন দেখিয়ে লম্পট সোহেল আমার অবুঝ মেয়ে তার ঘরে ডেকে আনে। পরে সোহেল আমার অবুজ মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক
ধর্ষন করে। পরে আমি ডিউটি শেষে বাড়ি ফিরে আসলে আমার মেয়ে বিষয়টি আমার কাছে খুলে বলে। এ ব্যাপরে আমি থানায় মামলা দায়ের  করলে পুলিশ গত রোববার রাতে লম্পট সোহেলকে আটক করে।

এ ছাড়াও গত ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার রাত ৮টায় বন্দর উপজেলার চিরাইপাড়া এলাকার জনৈক ইসমাইল মিয়ার টিনের চালা ঘরের দক্ষিন পার্শ্বে ফাঁকা জায়গায় একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অপর একটি আট বছরের শিশু ধর্ষনের
শিকার হয়।

এ ব্যাপারে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ ফখরুদ্দীন ভূইয়া গনমাধ্যমকে জানায়, সচেতনতার অভাবের কারনে বন্দরে ধর্ষনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই ক্ষুদে শিক্ষার্থী ধর্ষনের ঘটনায় থানায় পৃথক দুই মামলা দায়ের হয়েছে। আমরা দুইটি ধর্ষন মামলার আসামী ২ ধর্ষককে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। মামলা দুইটির তদন্তকারি  কর্মকতার্গন ভিকটিমদের উদ্ধার করে ডাক্তারি পরিক্ষা নিরিক্ষা পর ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে ২২ ধারায় আদালতে প্রেরণ করেছে।