পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল ও পাটকল চালুর দাবিতে কর্মসূচি

 রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল ও আধুনিকায়ন করে পাটকল চালুর দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট নারায়ণগঞ্জ জেলা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে প্রধানমন্ত্রী বরাবর জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপি দেয়ার পূর্বে শহিদ মিনারে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শহরে ১৪৪ ধারা জারির অজুহাতে পুলিশ বাধা প্রদান করে।

মাইক ব্যবহার করতে দেয়নি। পরে বাম জোটের নেতৃবৃন্দের একটি প্রতিনিধি দল ১২ টায় জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করে।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক হাফিজুল ইসলাম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক শিবনাথ চক্রবর্তী, বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাহী ফোরামের সদস্য আবু নাঈম খান বিপ্লব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান টিপু, গণসংহতি আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, বাসদ নেতা সেলিম
মাহমুদ, সিপিবি নেতা বিমল কান্তি দাস।

পুলিশি বাধার মুখে শহিদ মিনারে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হাফিজুল ইসলাম বলেন, বাম গণতান্ত্রিক জোটের দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ দেশে বন্ধ হওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল আধুনিকায়ন করে রাষ্ট্রীয় মালিকানা চালুর দাবিতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশি বাধা নিন্দনীয় ও অগণতান্ত্রিক। নারায়ণগঞ্জে ধর্মীয় সংগঠনের নামে যে মৌলবাদী উন্মাদনা তৈরি করা হচ্ছে তার তীব্র প্রতিবাদ এবং এর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই।

তিনি আরও বলেন, লোকসানের অজুহাতে ২৫ টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল ১ জুলাই থেকে বন্ধ ঘোষণা করে করোনাকালে স্থায়ী ও অস্থায়ী ৫০ হাজার শ্রমিক কর্মহীন করেছে। অখচ লোকসানের জন্য দায়ী কারা তা তদন্ত করে বের করা হলো না, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হল না। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতো লোকসানের অবসান করে লাভজনক করার উদ্যোগ না নিয়ে বরং কারখানা পানির দরে ব্যক্তি মালিকদের হাতে তুলে দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং আধুনিকায়ন করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় চালু করা দাবি জানান