বন্দরে ধারালো অস্ত্রসহ আটক-১

বন্দরে শাহীন মাতব্বর বাবুর্চি হত্যা মামলায় সনিগ্ধ আসামী ফয়সাল (২৮)কে ৪টি ধারালো অস্ত্রসহ আটক করেছে ধামগড় ফাঁড়ী পুলিশ। গত ১২ অক্টোবর সোমবার রাতে বন্দর থানার রামনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ তাকে আটক করা হয়। আটককৃত ফয়সাল বন্দর থানার ২৬ নং ওয়ার্ডের রামনগর এলাকার মনোয়ার হোসেন মিয়ার ছেলে।

পুলিশ আটকৃত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ফয়সালকে ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করে। পরে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আটকৃত অস্ত্রধারি সন্ত্রাসী ফয়সালের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। যার মামলা নং- ৯(১০)২০।

শাহীন বাবুর্চী হত্যা মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা ধামগড় ফাঁড়ী উপ-পরিদর্শক সিরাজ দৌল্লাহ গনমাধ্যমকে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমিসহ আমার সঙ্গীয় র্ফোস রামনগর এলাকায় অভিযান চালাই। অভিযানের সময় ফয়সালকে বিভিন্ন সাইজের চারটি ধারালো অস্ত্রসহ আটক করতে সক্ষম হই। পরে আটকৃত ফয়সালকে শাহীন মাতব্বর বাবুর্চি হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, মামলার বাদীর বড় ভাই শাহীন মাতব্বর বন্দর থানার ১৯নং ওয়ার্ডের মদনগঞ্জ লক্ষারচর এলাকার মনির মিয়ার বাড়ীতে দীর্ঘ দিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে মদনগঞ্জস্থ বসুন্ধরা সিমেন্ট ফ্যাক্টরীতে চাইনিজ রেস্টুরেন্টে বাবুচৃী চাকুরী করে আসছেন। গত ৭ অক্টোবর বুধবার আমার বড় ভাই শাহীন মাতব্বর অফিস থেকে বের হয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানাধীন দেউলভোগ এলাকায় আমার ফুফাত ভাই হাফিজুলের বাড়ীতে বেড়াতে যায়। ওই দিন ফুফাত ভাইয়ের সাথে দেখা করে রাত সাড়ে ১১টায় আমার বড় ভাইয়ের ব্যবহারকৃত মোটর সাইকেল নারায়ণগঞ্জ হ ১১-১৪৫৭ যোগে তার তার ভাড়াটিয়া বাড়ীতে আসার পথে ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাত ২টায় বন্দর উপজেলার মদনপুর টু মদনগঞ্জ সড়কের মনারবাড়ীস্থ তালতলা নামক স্থানে পৌছলে অজ্ঞাত নামা ছিনতাইকারিরা রশী দিয়া টান দিলে আমার ভাই চলন্ত মটর সাইকেল থেকে ছিটকে পরে গুরুত্বর আহত হয়। পরে আমার ভাইকে হত্যার ভয় দেখিয়ে তার ব্যবহারকৃত মটর সাইকেল, ১টি মোবাইল ফোন ও নগদ ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫’শ টাকা ছিনিয়ে নেয়। ওই সময় আমার ভাইয়ের ডাক চিৎকারে থানার টহলরত পুলিশ এগিয়ে এসে আমার ভাইকে উদ্ধার করে বন্দর স্বাস্থ্র কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।